Start Your Earning

Tuesday, November 2, 2010

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! ভিউপোর্ট ও ভিউপোর্ট নেভিগেশন কন্ট্রোল বাটনের পরিচিতি (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৫)

0

একটিভ ভিউপোর্ট কি ?

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর প্রযোজনীয় কার্যবলী যে জায়গায় করা হয় তাকে ভিউপোর্ট  বলে। অর্থাৎ ভিউপোর্ট  হল থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর এডিটিং এরিয়া। থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স সফ টা রান করার পর যে চার কোনার ৪ টা বক্স আপনারা দেখেতে পান তাকে বলে ভিউপোর্ট  । যারা বুঝতে পারছেন না তারা নিচের চিত্র টা দেখুন।
bdtutorial24 থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! ভিউপোর্ট ও ভিউপোর্ট  নেভিগেশন কন্ট্রোল বাটনের পরিচিতি  (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৫) | Techtunes

এই ৪টি চার কোনার ৪ টা বক্স নাম আছে নামগুল হল:

  • টপ ভিউপোর্ট  (Top Viewport )
  • লেফট ভিউপোর্ট  (Left Viewport)
  • ফর্ন্ট ভিউপোর্ট  ( Front Viewport)
  • দৃশ্যমান ভিউপোর্ট  (Perspective Viewport)
এখানে উপর , বাম , ও নিচের  অংশ দেখার জন্য যথাক্রমে টপ ভিউপোর্ট  (Top Viewport ) ,লেফট ভিউপোর্ট  (Left Viewport) ,ফর্ন্ট ভিউপোর্ট  ( Front Viewport) গুলো ব্যবহার করা হয় । আর অবজেক্ট গুলো কে থ্রি ডাইমেনশনাল আকৃতি দেখাতে দৃশ্যমান ভিউপোর্ট  (Perspective Viewport) ব্যবহার করা হয় । দৃশ্যমান ভিউপোর্ট  (Perspective Viewport) তে অবজেক্ট সমূহের ত্রিমাত্রিক উপস্থাপনা প্রদশির্ত হয় বলে আমরা অবজেক্ট সম্পর্কে সহজেই ধারনা পাই।

ভিউপোর্ট  নেভিগেশন কন্ট্রোল কি?

এডিটিং উইন্ডো এর নিচে ডানপাশে যে সকল বাটন থাকে তাদের ভিউপোর্ট  নভিগেশন কন্ট্রোল বাটন বলে । ভিউপোর্ট এ বিভিন্ন উপস্থাপনার কাজে এই বাটন গুলো কাজ করে। নিচের চিত্র টা দেখুন ।
bdtutorial24  থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! ভিউপোর্ট ও ভিউপোর্ট  নেভিগেশন কন্ট্রোল বাটনের পরিচিতি  (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৫) | Techtunes

এখানে চার টা অংশ থাকে তাদের নাম হলঃ

  • এনিমেশন কন্ট্রোল
  • পারসপেক্টিভ কন্ট্রোল
  • ক্যামেরা কন্ট্রোল
  • লাইট ভিউপোর্ট কন্ট্রোল
এখানে এনিমেশন তৈরি সময় এই এনিমেশন কন্ট্রোল কাজে লাগবে , এটি টাইম কন্ট্রোল বাটন এর একটি অংশ । এটা দিয়ে এনিমেশন্ এর বিভিন্ন কার্য ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করা হয়। এনিমেশন তৈরি , এর ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কন্ট্রোল  বাটন সাথে অন্যান্যা এনিমেশন বাটন সমূহ গুরুতপূর্ণ ভুমিকা পালন করে ।

Read more

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স কমান্ড প্যানেল এর বর্ননা (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৪)

0

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ন প্যানেলটি নাম হচ্ছে কমান্ড প্যানেল । কমান্ড প্যানেলে অবস্থিত বিভিন্ন প্যানেলগুলোর মধ্যেই এই সফটওয়্যারের এর যাবতীয় কার্যবলি সম্পাদন করা যায় এখানে সর্বমোট ৬টা ইউজার ইন্টারফেসের এর সাহায্যে কমান্ড গঠিত । ইউজার ইন্টারফেস গুলো হচ্ছেঃ
theinterface14  থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স কমান্ড প্যানেল এর বর্ননা (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৪) | Techtunes

ইউজার ইন্টারফেসঃ

  1. Create প্যানেল
  2. Modify প্যানেল
  3. Hierarchy প্যানেল
  4. Motion প্যানেল
  5. Display প্যানেল
  6. Utilities প্যানেল
এবার এই ইউজার ইন্টারফেস গুলো কোন টা কি কাজ করে তার বর্ননা দেয়া হল ।

Create প্যানেল:

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স  এর ভিউপোর্ট এ বিভিন্ন ধরনের অবজেক্ট বানাতে Create প্যানেল এর ব্যবহার হয় । ভিউপোর্ট এ বিভিন্ন ধরনের অবজেক্ট তৈরি ও সম্পাদনে Create প্যানেল ইন্টারফেস টি বিষেশ ভাবে কাজ করে । এই ইন্টারফেসটিতে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরি বিদ্যমান । এখানে প্রতিটি ক্যাটাগরি এ এক বা একাধিক অবজেক্ট তাইপ রয়েছে। Create প্যানেল ইউজার ইন্টারফেসটিতে যেসব ক্যাটাগরির অবজেক্ট রয়েছে সেগুলো হচ্ছে-
  • Geomatrt
  • Shapes
  • Lights
  • cameras
  • Helpers
  • Space Wraps
  • Syatems

Modify প্যানেল:

কমান্ড প্যানেলের আর একটি ইন্টারফেস হল Modify প্যানেল । Create প্যানেল এর তৈরি সকল অবজেক্ট কে পরিবর্তন , পরিবর্ধন ইত্যাদি এই ইন্টারফেস করে থাকে । Create প্যানেল এর মত সমান সংখক অবজেক্ট আছে । আপনি যখন Modify প্যানেল এর উপর ক্লিক করবেন তখন এই অবজেক্ট গুলো প্রদর্শিত হবে। একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে , আপনি যদি ভিউপোর্ট এ কোন অবেজেক্ট তৈরি করে না থাকেন , বা অবেজেক্ট সিলেক্ট করে না থাকেন তা হলে এই অবজেক্ট সমূহ কাজ করবে না।

Hierarchy প্যানেলঃ

কমান্ড প্যানেলের আর একটি ইন্টারফেস হল Hierarchy প্যানেল। Create প্যানেল এর তৈরি সকল অবজেক্ট কে পরিবর্তন , পরিবর্ধন ইত্যাদি এই ইন্টারফেস করে থাকে । Create প্যানেল এর মত সমান সংখক অবজেক্ট আছে । আপনি যখন Hierarchy প্যানেল এর উপর ক্লিক করবেন তখন এই অবজেক্ট গুলো প্রদর্শিত হবে।

Motion প্যানেলঃ

কমান্ড প্যানেলের আর একটি ইন্টারফেস হল Motion প্যানেল। Create প্যানেল এর তৈরি সকল অবজেক্ট কে বিভিন্ন ভাবে সচল , পরিচালন করা ইত্যাদি এই ইন্টারফেস করে থাকে । Create প্যানেল এর মত সমান সংখক অবজেক্ট আছে । আপনি যখন Motion প্যানেল এর উপর ক্লিক করবেন তখন এই অবজেক্ট গুলো প্রদর্শিত হবে।

Display প্যানেলঃ

কমান্ড প্যানেলের আর একটি ইন্টারফেস হল Display প্যানেল । Create প্যানেল এর তৈরি সকল অবজেক্ট কে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন বা প্রদর্শন ইত্যাদি এই ইন্টারফেস করে থাকে । Create প্যানেল এর মত সমান সংখক অবজেক্ট আছে । আপনি যখন Display প্যানেল এর উপর ক্লিক করবেন তখন এই অবজেক্ট গুলো প্রদর্শিত হবে।

Utilities প্যানেলঃ

কমান্ড প্যানেলের আর একটি ইন্টারফেস হল Utilities প্যানেল। Create প্যানেল এর তৈরি সকল অবজেক্ট কে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন বা প্রদর্শন ইত্যাদি এই ইন্টারফেস করে থাকে । Create প্যানেল এর মত সমান সংখক অবজেক্ট আছে । আপনি যখন Utilities প্যানেল এর উপর ক্লিক করবেন তখন এই অবজেক্ট গুলো প্রদর্শিত হবে।

Read more

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর এডিটিং উইন্ডোতে যে সকল অংশ ও মেনুবার এর বর্ননা (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ৩)

0

এডিটিং উইন্ডোতে যে সকল অংশ সমূহঃ

  1. মেনু বার
  2. কমান্ড প্যানেল
  3. অবজেক্ট ক্যাটাগরি
  4. রুলআউট
  5. একটিভ ভিওপোর্ট
  6. ভিওপোর্ট নভিগেশন কন্ট্রোল
  7. টাইম কন্ট্রোলস
  8. স্ল্যাপস
  9. কো-অর্ডিনেট ডিসপ্লে
  10. স্টাটাস বার
  11. ম্যাক্স স্ক্রিপ মিনি লিসটেনার
  12. ট্রাক বার
  13. টাইম স্লাইডার
  14. মেইন টুলবার
এবার আমি এগুলোর ধারাবাহিক বর্ননা দিবো। আজ আমি মেনু বার এ বর্ননা ও কাজ আলোচনা করবো।

মেনুবারঃ

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর এডিটিং উইন্ডো এর উপরে যে অংশ টা তাকে মেনুবার বলে । এখানে বিভিন্ন ধরনের কমান্ড আছে । এখানে যে কমান্ড গুলো আছে এর অধিনে আবার এখাধিক সাব মেনু আছে সাব কমান্ড আছে । থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর অবজেক্ট গুলোকে তৈরি , সংরক্ষন , সংশোধন , আকর্ষনীও ভাবে উপস্থাপন ইত্যাদি কাজ করে থাকে এই মেনুবার এর কমান্ড সমূহ। নিম্নে মেনুবার এর কমান্ড সমূহ দেয়া হল
3D Max manu

মেনুবার কমান্ডঃ

  • File মেনু
  • Edit মেনু
  • Tools মেনু
  • Group মেনু
  • Views মেনু
  • Create মেনু
  • Modifiers মেনু
  • reactor মেনু
  • Animation মেনু
  • Graph Editors মেনু
  • Rendering মেনু
  • Customize মেনু
  • MAXScript মেনু
  • Help মেনু

আমার পর এর লেখায় অন্যান্য এডিটিং উইন্ডো এর বর্ননা দেয়া হবে । ধন্যবাদ সবাইকে ।

Read more

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ২)

0

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ৯ এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এন্ড সফটওয়্যারঃ

অপরেটিং সিস্টেম

  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ভিস্তা
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ৭
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ এক্সপি প্রোপেশনাল

সফটওয়্যারঃ

  • DirectX 9.0c
  • থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স সফটওয়্যার ৯ এর ইনস্টলেশন সিডি (মাস্টার সিডি হলে কাজ করে সুবিধা পাবেন)
  • মজিলা ফায়াফক্স বা ইন্টানেট এক্সপ্লোর ।

হার্ডওয়্যার

  • প্রসেসরঃ ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪ অথবা AMD Athlon XP
  • কমপক্ষে ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম , তবে এর বেশি হলে আপনি কাজ করে মজা পাবেন ।
  • কমপক্ষে ৫০০ মেগাবাইট হার্ডডিস্ক ফ্রী স্পেস ,বেশি হলে ভাল ।
  • ডিভিডি রোম ড্রাইব

আপনি আর বিস্তারিত জানতে চাইলে এই পিডিএফ ফাইল টা দেখুনঃ-

PDF logo থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ২) | Techtunes
এটা হল যারা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ৯ ব্যবহার করবে , যারা  এর শেষ ভার্সন থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ১০ (এটা রিলিজ হয়েছেঃ এপ্রিল ১৮,  ২০০৯)বা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ১১(এটা রিলিজ হয়েছেঃ এপ্রিল ২০১০) ব্যবহার করতে চায় তাদের জন্য এর তালিকা দেয়া হলঃ

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ১০ এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এন্ড সফটওয়্যারঃ-

অপরেটিং সিস্টেম

  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ভিস্তা
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ এক্সপি প্রোপেশনাল
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ৭

সফটওয়্যারঃ

  • DirectX 9.0c
  • থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স সফটওয়্যার ১০ এর ইনস্টলেশন সিডি (মাস্টার সিডি হলে কাজ করে সুবিধা পাবেন) ।
  • মজিলা ফায়াফক্স বা ইন্টানেট এক্সপ্লোর

হার্ডওয়্যার

  • প্রসেসরঃ ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪ অথবা AMD Athlon XP
  • কমপক্ষে ১ গিগাবাইট র‌্যাম , তবে এর বেশি হলে আপনি কাজ করে মজা পাবেন ।
  • কমপক্ষে ১ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ফ্রী স্পেস ,বেশি হলে আর ভাল ।
  • ডিভিডি রোম ড্রাইব

আপনি আর বিস্তারিত জানতে চাইলে এই পিডিএফ ফাইল টা দেখুনঃ-

PDF logo থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ২) | Techtunes

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ১১ এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এন্ড সফটওয়্যারঃ

অপরেটিং সিস্টেম
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ভিস্তা
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ এক্সপি প্রোপেশনাল
  • মাইক্রসফট উইন্ডোজ ৭
সফটওয়্যারঃ
  • DirectX 9.0c
  • থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স সফটওয়্যার ১১ এর ইনস্টলেশন সিডি (মাস্টার সিডি হলে কাজ করে সুবিধা পাবেন)
  • মজিলা ফায়াফক্স বা ইন্টানেট এক্সপ্লোর
হার্ডওয়্যার
  • প্রসেসরঃ ইন্টেল পেন্টিয়াম 4 1.4 GHz অথবা equivalent AMD
  • কমপক্ষে ২ গিগাবাইট র‌্যাম , তবে এর বেশি হলে আপনি কাজ করে মজা পাবেন ।
  • কমপক্ষে ৩ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ফ্রী স্পেস ,বেশি হলে আর ভাল ।
  • ডিভিডি রোম ড্রাইব

আপনি আর বিস্তারিত জানতে চাইলে এই পিডিএফ ফাইল টা দেখুনঃ-

PDF logo থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স এর প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার (থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স পর্ব ২) | Techtunes

Read more

থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! (পর্ব এক)

0

সবাই কেমন আসেন ? মনে হয় ভাল !! আমিও ভাল আছি !
আমরা বর্তমানে সিনেমা , নাটক , ম্যাগাজিন ইত্যাদি সর্বত্র কম্পিউটার গ্রাফিক্স এ কাজ বেশি দেখতে পাই । CGI অর্থাৎ Computer Graphics Imagery ভিত্তিক এ সমস্ত কাজ কপমিউটার এর ব্যবহারিত বিভিন্ন গ্রাফিক্স সফটওয়্যার দিয়ে করা হয় । আর এ ধরনের গ্রাফিক্স সফটওয়্যার থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স , এটি এখন অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছ । এটি মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের Autodesk.inc তৈরি করেছে । আপনি এই সফট দিয়ে যেকোন গ্রাফিক্স তৈরি , এডিটিং , মডেলিং সহ ইত্যাদি কাজ করতে পারবেন ।
autodesk 3ds max 2011 boxshot ppt থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! (পর্ব এক) | Techtunes
এখন থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখার আগে আপনাকে জানতে হবে থ্রিডি গ্রাফিক্স টা কি ? এটা অবশ্যে অনেকে ই জানে , তবে যারা একদম নতুন তাদের জন্য আমি একটু বলবো থ্রিডি গ্রাফিক্স কি ?

থ্রিডি গ্রাফিক্স কি ?

কম্পিউটার এ গ্রাফিক্স তৈরির প্রথম দিকে টুডি গ্রাফিক্স প্রচলন ছিলো , কিন্তু এখন এর ব্যবহার তেমন একটা দেখা যায় না । এখন থ্রিডি গ্রাফিক্স টাই সর্বত ব্যবহার হয় । আপনি যখন কোন বস্তুকে ত্রিমাত্রিক ভাবে উপস্থাপন করবেন , তখন এটা কে কম্পিউটারের ভাষায় থ্রিডি গ্রাফিক্স বলা হবে । আমরা যখন কোন জিনিস দেখি , তখন শুধু এর এক দিকে দেখতে পারি যেমন সামনের দিক অথবা বা এর দিক অথবা দান পাশ । আপনি কখন একটি বস্তু সব গুলো দিক এক সংগে দেখতে পারবেন না (বড় জর দুটা পাশ দেখা যায়) , এটা অসম্ভব !!  কিন্তু আপনি কম্পিউটারের সাহায্যে এর তিন টা পাশ এক সংগে করে দেখতে পারবেন এবং একেই থ্রিডি বলে । অর্থাৎ Three Dimensions এর সংক্ষিপ রুপ হচ্ছে 3D , যার মাধমে আপনি যেকোন বস্তুর Width(প্রস্থ) , Depth(গভিরতা), Hight(উচ্চতা) অবলোকন করে গ্রাফিক্স কার্যাবালিকে সহজে ও সুন্দর ভাবে করা যায় ।
3dsmax 2010 800px থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স শিখুন সহজে !! (পর্ব এক) | Techtunes
যেমনঃ একটি কেটলির(উপরের চিত্র দেখুন) দিকে তাকালে এর সামনের দিক টা শুধু দেখা যাবে এর অন্য পাশ গুলো দেখা যাবে না  কিন্তু আপনি কম্পিউটার এর থ্রিডি গ্রাফিক্স সফট ব্যবহার করে এর তিনটা {Width(প্রস্থ) , Depth(গভিরতা), Hight(উচ্চতা) } পাশ দেখতে পারবেন ।

ত আর দেরি কেন? তারাতারি সফট ইনস্টল দিয়ে দিন ।

আর যাদের কাছে সফট টা নাই

পরে

এ সফট এর ডাউনলোড লিঙ্ক ও ইনস্টল প্রক্রিয়া বর্ননা করবো ।

Read more

Monday, November 1, 2010

ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা আয়ের উপায় পেয়ে যেতে পারেন নতুন এডসেন্স একাউন্ট

0

লেখাটি আগেই প্রকাশ পেয়েছেঃ http://earnhelp.com/?p=347 এই লিংকে।
কিছুদিন আগে রিয়া আপা তার লেখায় বলেছিলেন হাবপেজ দিয়ে অপেক্ষাকৃত সহজে এডসেন্স পাওয়া যায়। তার কথা শুনে আমারও মনে হল যে গতবছর ডিসেম্বরে আমিও একজনের এডসেন্স একাউন্ট করেছিলাম এই হাবপেজ এর মাধ্যমে কোন পোস্ট ছাড়াই। আর উইবলি দিয়েও অনেক বন্ধুকে খুব সহজে এডসেন্স একাউন্ট করে দিয়েছিলাম একসময়। এরকম এডসেন্স রেভিনিউ শেয়ারিং সাইটের মাধ্যমে এডসেন্স করাটা কিছুটা সহজ কারন যে সাইটের মাধ্যমে করা হয় তাদের সাথে এডসেন্স এর চুক্তি থাকলে নতুন একাউন্টের জন্য এপ্লাই করলে সেখানে তাদের একপ্রকার রিকমেন্ডেশন থাকে। তো আজ হাবপেজ আর উইবলি দিয়ে কিভাবে খুব সহজে এডসেন্স একাউন্ট করা যায় এবং আরো সহজে এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে পাওয়া যায় তাই নিয়েই আলোচনা করব।

উইবলি

উইবলিতে একাউন্ট করার পর এর মাধ্যমে যখন নতুন সাইট তৈরী করবেন তখন খেয়াল করবেন উপরের মেন্যু যেখান থেকে ড্রাগ করে পেজে এনে বসাবেন (উইবলিতে সিস্টেমটাই এমন) সেখানে এডসেন্স ও একটা অপশন আছে যেটা ড্রাগ করে আনলে আপনাকে এডসেন্স কনফিগার করতে বলবে। সেখানে আপনি I want to create new adsense account সিলেক্ট করে আপনার মেইল এড্রেস দিয়ে Accept এ ক্লিক করুন।
Google Adsense
এবার নিচের মত উইন্ডো এসে জানাবে আপনার এডসেন্স একাউন্ট এপ্লাই এর ব্যাপারে।
Adsense
এরপর সেই মেইল দিয়ে এডসেন্সে লগইন করে আপনার তথ্য আপডেট করুন। দেখেন তো কাজ হয় কিনা?

হাবপেজ

হাবপেজে একাউন্ট দিয়েও খুব সহজে এডসেন্স পাওয়া যায়। বাংলাদেশ বা ভারতের মত দেশগুলো থেকে পেতে হলে কিছু ভাল পোস্ট দিয়ে তারপর এপ্লাই করতে হবে আর ইউএসএ বা ইউকে থেকে কোন পোস্ট ছাড়াও এপ্লাই করতে পারেন।
যাইহোক এপ্লাই করার জন্য My account লিংক থেকে Affiliate settings এ যান।My Hub Pageএবার সেখান থেকে এডসেন্স Sign up ক্লিক করুন।
My Affiliate Settingsএরপরের পেজে যে মেইল দিয়ে একাউন্ট করতে চান তা চিন্হিত স্থানে লিখে Signup for Adsense এ ক্লিক করুন।
HubPages AdSense Signupদেখেন একদম সাথে সাথে পাবলিশার আইডি ও পেয়ে গেছেন !! এরপর এডসেন্স এ লগইন করে বাকী তথ্য আপডেট করুন। নতুন একাউন্ট পেয়ে যাওয়ার সম্বাবনই বেশী।
My Affiliate Earn Money

আরো একটি ট্রিকস এপ্লাই করতে পারেন যা দিয়ে পাবার সম্ভাবনা শতভাগ

সেটা হল ইউরোপ বা আমেরিকার কোন দেশে আপনার কোন আত্তীয় থাকলে তার ঠিকানায় এপ্লাই করেন। এসব ক্ষেত্রে Blogger, Hubpage এর মত সাইট গুলো দিয়ে কোন পোস্ট ছাড়াই(!) ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে আপনার এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হয়ে যাবে।
তো দেখুন না এর কোনটা আপনার কাজে আসে নাকি?

Read more

 
Design by ThemeShift | Bloggerized by Lasantha - Free Blogger Templates | Best Web Hosting