Start Your Earning

Thursday, August 12, 2010

SEO - কতোখানি প্রয়োজন আর কতোখানি হলে তা অতিরিক্ত?

0

আমরা জানি SEO করতে হবে, ইউজাররা সার্চ করলে যেন আমাদের ব্লগ পাতা তারা সবার আগে খুঁজে পায়। এমন ব্লগার খুঁজে পাওয়া যাবেনা যার মনে এই শুপ্ত বাসনা নেই। সার্চ পাতায় প্রথম স্থান অধিকারের লড়াই অনেক জোরদার। পরীক্ষায় সবাই প্রথম হয়না। তাই, অন্তত প্রথম দশেও যদি থাকা যায় সেই চেষ্টাতেই অনেক ব্লগার প্রচুর সময় অতিবাহিত করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন। কারন, টিঁকে থাকার এই লড়াই শেষ হবেনা। পরিবর্তনশীল এই পৃথিবীতে ইন্টারনেটেও পরিবর্তনের হাওয়া লেগেই আছে। ইন্টারনেটে পরিবর্তনের এই হাওয়াকে 'হাওয়া' না বলে 'ঝড়' বলাই ভালো। এবং, আপনারা জানেন ঝড় কি জিনিস, সামান্য ত্রুটি কিম্বা অসাবধানতায় সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতা থেকে সরে যেতে হতে পারে।

seo watchআজকের আলোচনা, SEO করতে হবে, কিন্তু কতোখানি করলে তা ভালো, আর কতোখানি করে ফেললে সেটা অতিরিক্ত? এর সীমারেখা কোথায়? কেউ কি তা জানে? সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের নিয়মনীতি নির্ধারন করেই দিয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা জেনেছি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গ্রহণযোগ্য কি কি, আর বর্জনীয় কি কি।

কোনো ওয়েবমাস্টার যদি সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মনীতির পরিপন্থী কিছু করে বসেন তবে গুগলের মতো প্রচণ্ড ডাকাবুকো সার্চ ইঞ্জিন একেবারেই তা পছন্দ করেনা এবং অনেক সময়ে প্রথম পাতা থেকে সেই ওয়েবসাইটকে সরিয়ে দেওয়া হয়, এমনকি ধৃষ্টতার গুরুত্ব বুঝে সেই ওয়েবসাইটকে সার্চ ইন্ডেক্স থেকে চিরতরে মুছেও ফেলা হতে পারে। তাই, কতোটুকু এসইও করবেন আর কতোখানি হলে অতিরিক্ত হয়ে যাবে সেই পার্থক্য বুঝেই এগোনো ভালো।

বাংলাদেশে বর্তমানে ব্লগার/ওয়েবমাস্টারদের পরিস্থিতি তিনরকমের হয়ে আছে। এক দল ওয়েবমাস্টার আছেন যারা প্রকৃত তথ্যগুলি জানেন ও বোঝেন এবং সেই অনুযায়ী মধ্যপন্থা নিয়েছেন - না অল্প এসইও না অতিরিক্ত এসইও করে রেখেছেন। দ্বিতীয় শ্রেণীর ওয়েবমাস্টাররা 'অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী' অবস্থায় আছেন। তারা ভাবছেন তারা জানেন অনেক কিছু, কিন্তু তাদের অবস্থা আসলে বেশি জানতে গিয়ে কিছুই শেখা হয়নি অবস্থায় থেকে গিয়েছে। তৃতীয় দলে আছেন সেইসব ওয়েবমাস্টার যারা নতুন এসেছেন, শিখছেন। তারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। পাশ্চাত্যের প্রফেশনাল ব্লগাররা মূলত এই তৃতীয় শ্রেণীকে টার্গেট করেই ব্যবসা ফেঁদেছেন। আর, প্রথম দুই শ্রেনীর ওয়েবমাস্টাররা এই তৃতীয় শ্রেণীর ওয়েবমাস্টারদেরকে আরো বিভ্রান্ত করে ফেলেছেন - বেশি জানা ও অল্প জানা লোকের সান্নিধ্যে এলে যা হয় আর কি!

এই ভীড়ের মধ্যে ভুল-ঠিক, স্বল্প-পর্যাপ্ত-অতিরিক্ত এইসব পরিস্কার ভাবে বুঝে নিতে না পারলেই সাফল্য অধরা রয়ে যায়। ভুলে যাবেন না, ইন্টারনেট একটি মুক্ত বিশ্ব। এখানে সবাই সবার মত প্রকাশ করে চলেছেন। তার মাঝে ভুল ঠিক চিনে নিতে না পারলে বড্ড অসহায় অবস্থায় পড়তে হবে।

যারা ভুল শুধরে নিয়ে এগোতে চান, তাদের জন্যও সামনের পথ সাবধানেই চলতে হবে। একটি ডোমেইন দিয়ে অনেক চেষ্টা করে ফেইল করার পরে সেই ডোমেইনেই নতুন প্রয়াস চালানো হলে সাফল্য নাও আসতে পারে। কারন, এই চেষ্টা করতে করতে যতোদিন অতিক্রান্ত হলো, ততোদিনে সার্চ ইঞ্জিনও বুঝে গেছে যে আপনি পথ চেনেননা, বিভ্রান্ত, অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ে সাফল্য হাতরে বেড়াচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ে ডোমেইন নামের উপরে। তাই, নতুন প্রয়াস নতুন ডোমেইন নামেই করা ভালো।

হয়তো ভাবছেন যে সে তো অনেক টাকার ব্যাপার! হ্যাঁ, তাহলেও কিছু করার নেই। ওই যে বলেছি, মুক্তবিশ্ব? এখানে বড়লোক দেশের ওয়েবমাস্টাররাও তো আছেন? তারা এক একজন প্রচুর ডোমেইন কিনে ফেলছেন। একটা কীওয়ার্ড মাথায় আসামাত্র টুক করে কিনে ফেলেন তারা। ইচ্ছেমতো ডোমেইন কেনাবেচাও করেন তারা। এদের মাঝে টিঁকতে হবে তো? গরীব দেশের ওয়েবমাস্টারদের অনেক অসুবিধা হবে, কিন্তু কি করা যাবে বলুন? সবখানেই টাকার খেলা। খুব অসুবিধা হলে ফ্রি ব্লগস্পট তো থাকছেই! চিন্তা কি?

বিগ ব্রাদার গুগল সবসময়ে দাদাগিরি করেনা, বড়ভাইয়ের কাজটিও তারাই করছে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা অনেক কিছু ফ্রি-তে দিয়েছে। উপভোগ করার পাশাপাশি উপযোগিতার দিকটাও খুঁজে নিন। ডোমেইন নাহলে হবেই না, এই কথা ভাবার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারন আমি দেখছিনা। DMOZ-এ প্রায় দশ হাজার ফ্রি ব্লগস্পট ব্লগ নথিভুক্ত আছে এবং গুগল DMOZ-কে মান্যতা দেয়। এই থেকেই বুঝে নিন? আর হ্যাঁ, আগের পোস্টেই জানিয়েছি যে .com পাবলিক ডোমেইনে ওয়ার্ডপ্রেসের চাইতে ব্লগস্পট ঢের বেশি জনপ্রিয় সারা বিশ্বে। কেন জানিয়েছিলাম? ওয়ার্ডপ্রেসকে ছোট করতে নয়! বাংলাদেশ বিরাট বড়লোক দেশ নয়, প্রচুর ডোমেইন কিনে ফেলতে পারবেন না অনেকেই। তাই এই অসীম জনপ্রিয় ফ্রি ব্লগ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই অনেক কিছু করতে পারবেন।
http://bn.ria8.me.uk/2010/08/how-much-seo-is-too-much.html

Read more

Sunday, August 8, 2010

গুগল এডসেন্স থেকে আয় আশানুরূপ হবে, যদি...

1

Google AdSense - ওয়েবসাইট বানিয়ে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে আয়ের পথ হিসেবে নিঃসন্দেহে অদ্বিতীয়। আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, প্রায় দুই একদিন পরে পরেই এই প্রশ্ন আমি পাই যে কিভাবে গুগল এডসেন্স আয় বাড়ানো যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নতুন ব্লগিং করতে এসেছেন, যারা কয়েকদিন আগে এসেছেন তাদেরও প্রশ্ন থাকে যে অনেকগুলি ক্লিকের পরেও আয় আশানুরূপ হচ্ছেনা। ১০-টা ক্লিকের পরেও কেন ০.১০ ডলায় হলো। এইসব নিয়ে অনেকেই মন খারাপ করছেন। মূল প্রশ্ন সেই একই, কিভাবে গুগল এডসেন্স আয় বাড়ানো যায়। কার্যকরী কিছু কথা বুঝিয়ে বলছি, এইসব বুঝতে পারলে আপনারাও সাফল্যের মুখ দেখবেন। খুবই সামান্য দুটি পয়েন্ট আমি আলোচনা করে দেবো। একটু নির্ঝঞ্ঝাট অবস্থায় বসে পড়ে নিন, বুঝতে দেরী লাগবেনা।

ব্লগ থেকে আয় কিভাবে হয়?

মূল জিনিস তো ব্লগ, তাতে প্রদর্শিত কিছু বিজ্ঞাপনে ক্লিক - তাইনা? বিজ্ঞাপনদাতা কেন বিজ্ঞাপন দেবেন আপনার ব্লগে? কি আছে আপনার ব্লগে যাতে বিজ্ঞাপনদাতার লাভ হবে? এটা একটা মৌলিক প্রশ্ন। এর উত্তর প্রথমে খুঁজে বের করুন যে একজন বিজ্ঞাপনদাতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আপনার ব্লগ কতোখানি লাভজনক। আপনি যেমন আয়ের জন্য উৎসুক, তেমন বিজ্ঞাপনদাতাও দানছত্র খুলে বসেননি তাইনা? তিনিও আয়ের জন্যই বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন।

আশাকরি বুঝতে পারছেন কি বলতে চাইছি। বিজ্ঞাপনদাতার একটি পণ্য আছে, তিনি সেটার জন্য গ্রাহক চাইছেন, তাই তিনি বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন। আপনার ব্লগ থেকে যদি বিজ্ঞাপনদাতা গ্রাহক না পান, তবে তিনি কেন টাকা দেবেন আপনাকে? এইজন্য ক্লিক হলেই যে ভালো টাকা পাবেন তার কোনো নিশ্চয়তা থাকেনা। ক্লিক অনেক হয়, কিন্তু সব ক্লিকে বিজ্ঞাপনদাতার বানিজ্য সম্পন্ন হয়না।

আপনি আয় করতে চান? বিজ্ঞাপনদাতাকে আয়ের পথ খুলে দিন। সরাসরি বানিজ্যিক মনোভাবাপন্ন হোন। আপনার ব্লগে কিকরে প্রচুর ভিজিটার আনতে হবে, কিভাবে অদ্বিতীয় এসইও করতে হবে - এখানেই শেষ নয়! যে ট্র্যাফিক পাবেন, তাকে টাকায় রূপান্তরিত করুন। ভালো ভালো ভিজিটার যারা আসবেন, যারা কিছু খুঁজছেন, তাদের জন্য ব্লগ লিখুন। যারা আসবে, পড়বে, "খুব ভালো হয়েছে" বলে চলে যাবে তাদের জন্য ব্লগ লিখবেন না। সেই ট্র্যাফিক থেকে কানাকড়িও আসবেনা আপনার।

সার্চ দুই রকমের হয়। কিছু আছেন যারা কেবলই তথ্য খুঁজছেন। আর কিছু আছেন যারা পণ্য কেনার জন্য তথ্য খুঁজছেন। এসইও করে এবং লেখার মধ্যে কীওয়ার্ডে টার্গেট করুন এই দ্বিতীয় ক্যাটাগরির সার্চ ইউজারকে। সামান্য উদাহরণ দিচ্ছি দেখুন। মোবাইল ফোনের কীওয়ার্ড - best mobile phones, latest mobile phones, upcoming mobile phones, nokia mobile phones, motorola mobile phones - দেখুন এইসবের মধ্যে এমন কিছু নেই যা এইসব কীওয়ার্ডের মধ্যে আছে - nokia price list usa, blackberry prices in us, motorola droid price verizon, used mobiles for sale, 3gs iphone price walmart; এই দ্বিতীয় রকমের কীওয়ার্ড দিয়ে যারাই সার্চ করছেন সম্ভাবনা আছে যে তারা মোবাইল ফোন কিনবেন। কীওয়ার্ডের হেরফের করলে বিজ্ঞাপনেও হেরফের হবে। দ্বিতীয় ধরনের কীওয়ার্ডে যেসব ক্লিক পড়বে, সেই ক্লিক থেকেই টাকা আসবে এবং ভালো পরিমানেই আসবে।

আপনার ব্লগ একটি ভার্চ্যুয়াল শপ। জিনিস বিক্রি করছেন বিজ্ঞাপনদাতার হয়ে। জ্ঞান বিতরণ করবেন না, তাতে টাকা আসবেনা; সেলসম্যান হোন এবং সেলসের কমিশন ঘরে তুলে নিন। এটাই ব্লগ থেকে আয়ের একমাত্র পথ।

কিভাবে লিখলে অপেক্ষাকৃত অধিক লাভজনক হবে?

আমি কিছুদিন আগে নাসির উদ্দিন শামীমকে একটি কথা লিখেছি :- জীবন থেকে গল্প তুলে এনে ব্লগে লিখে দিন। আমরা কেউ মেশিন নয়, আমরা মানুষ। আমরা আকর্ষণবোধ করি যখন দেখি কেউ আমাদেরই জীবনের সাথে জড়ানো কথা লিখছে/বলছে। আমাদের জীবনে নানা সময়ে নানা ঘটনা ঘটে, আমাদের আত্মীয় কিম্বা বন্ধুমহলেও ঘটে চলেছে এবং তা আমাদের কানে আসছে। সেইসব ভুলে যাননি তো? লিখে ফেলুন সেইসব!

আশ্চর্য হচ্ছেন? আচ্ছা, উপরে মোবাইল ফোনের উদাহরণ দিয়েছি, তাই ওইভাবেই একটি পরিস্থিতি দিয়ে বোঝাই। একদিন ভাবলেন মোবাইল কিনবেন। পরিবারের কাউকে সঙ্গে নিয়ে কিম্বা বন্ধুদের সাথে কিনতে গিয়েছেন। কোথায় গিয়েছেন লিখুন। কোন কোন শপিং মলে গেলেন, কি কি মডেল দেখলেন, আপনি কোন মডেল এবং কি কি ফিচার চাইছেন লিখুন। অনেক মডেল দেখলেন, দামও কানে এলো, কিছু দামী কিছু অল্প দামী - লিখে ফেলুন! স্পষ্ট দেখতে পাবেন যে গল্পের আকারে তৈরী হচ্ছে আপনার লেখা এবং তার মধ্যেই এসে গিয়েছে কীওয়ার্ড।

আমি যেভাবে বললাম একবার ড্রাফট করেই দেখুন না কি হয়? নিজেই দেখতে পাবেন যে কারো লেখা কপি করতে হচ্ছেনা, এসইও প্রতিযোগিতাতেও যেতে হচ্ছেনা, আপনা থেকেই কীওয়ার্ড তৈরী হবে, মোবাইলের রিভিউ হয়ে যাবে এবং অনেক মডেলের বিবরণসহ দামের আলাপও হয়ে যাবে। জনপ্রিয় হতে বাধ্য কারন আপনার গল্পের মতোই অন্য অনেকেই একই ভাবে মোবাইল কেনার পরিকল্পনা করছেন। তাদের জীবনের সঙ্গে আপনার গল্প মিলে যাবেই। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ব্লগ থেকে লাভও আসতে থাকবে।

মানুষকে বিরক্ত না করে আকর্ষনীয় লেখা দিলেই time on site + page views বেড়ে যাবে। লোকমুখে ছড়াবে আপনার ব্লগের নাম। আর, জানেন তো, গুগলের বিজনেস লোককে সার্চের উপযুক্ত রেজাল্ট দেওয়া? যেহেতু নিজের জীবন থেকে নেওয়া, তাই ইউনিক লেখাই হবে, সব বাস্তবিক কীওয়ার্ড যুক্ত হয়ে যাবে - ব্যাস, অটোম্যাটিক এসইও হবে আপনার। বাকিটা গুগলের হাতেই ছেড়ে দিন? গুগলেরও তাগিদ আছে, তারাও বিজনেস করতেই এসেছে। ভুলে যাবেন না যে বিজ্ঞাপনদাতা এবং আপনার মাঝখানে গুগল মস্তবড় অংশীদার।

অতঃপর কি করণীয়?

আবোলতাবোল ব্লগ কিম্বা ফোরাম বানিয়ে থাকলে সেখানে সময় কম দিন। বানিজ্যিক দুনিয়ায় পা রাখুন। সরাসরি পণ্য ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে যান। সেইরকমের ব্লগ খুলুন যেখানে পণ্য বেচাকেনার সম্ভাবনা থাকবে। যে পণ্যের সম্বন্ধে জানেন না সেই ব্যাপারে লিখতেও চেষ্টা করবেন না। হীতে বিপরীত হবে তাতে। ডোমেইন কিনলে .com/.net বাদে আর কিছু একেবারেই নয়। চেনাপরিচিতদের একেবারেই আয় করার ব্লগের হদিশ জানিয়ে অযথা ট্র্যাফিক বাড়াবেন না, সমালোচকও বাড়ানোর প্রয়োজন নেই।

আউটগোয়িং লিঙ্ক সব যেন মূল কোম্পানীর সেলস পেজে হয়। যেমন নোকিয়া মোবাইল ব্লগের আউটগোয়িং লিঙ্ক হবে store.nokia.com-এ, সরাসরি nokia.com-এ নয়। (আমার দেওয়া লিঙ্ক পরীক্ষা করে দেখুন কোথায় যাচ্ছে)
Source: http://bn.ria8.me.uk/2010/08/google-adsense-howto-earn-more.html

Read more

Hubpages দিয়ে আয়ের সম্ভাবনা আছে!

0

অনলাইনে বিভিন্ন পরীক্ষানীরিক্ষা করার বদনাম আমার আছে। যা লিখি তার সিংহভাগই নিজে পরীক্ষা করে জেনে নিয়ে তবেই লিখি। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন যে আমি অন্যখানে পড়ে সেটাকে বাংলায় লিখে দিই। তা নয়, আমি সবসময়েই চেষ্টা করি নিজে সেটাকে ভালো করে জেনে নেওয়ার। কারন আছে, আমার কাছে প্রত্যহ যতো ইমেইল আসে সেইসবের মধ্যে পাঠকদের অনেক প্রশ্ন থাকে, সেইসবের উত্তর দিতে হয়। অন্যখান থেকে পড়েই অনুবাদ করে দিলে অনেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনা।

সম্প্রতি Hubpages নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছিলাম। ৪ মাস আগে নিবন্ধন করেছিলাম ওই সাইটে, ব্যাস্ততার ফলে দ্রুততার সঙ্গে পরীক্ষা চালাতে পারিনি। ভালো কোয়ালিটির লেখা সেখানে আমি লিখিনা। নেহাতই জানার ছিল ওই সাইটের কেন এতো নাম, কেনই বা অনেকে সেখানে লেখালেখি করছেন, গুগল এডসেন্স নিয়ে যাসব কথা প্রচলিত আছে সেইসবের সত্যতা কতোটুকু ইত্যাদি জানার ছিলো।

যাদের গুগল এডসেন্স একাউন্ট নেই, তারা Hubpages-এর মারফত আবেদন করলে দ্রুত একাউন্ট পেয়ে যাবেন। অল্প সময়ের মধ্যেই একাউন্ট পেয়ে যাবেন যদি হাবে ভিজিটার থাকে ভালো পরিমানে। এমনিতেও দিয়ে দেবে গুগল। ওদের সঙ্গে গুগল এডসেন্সের যোগাযোগ আছে, সেইজন্যই তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে। এর জন্য আলাদা সাইট/ব্লগ থাকা লাগবেনা।

এখন আসি আসল কথায়। গুগল এডসেন্স থেকে আয়, Hubpages-এর মাধ্যমে। সম্ভাবনা কতোখানি?

আমি যেটুকু অনুধাবন করতে পারলাম, এই সাইটে লিখলে লাভ আছে বেশ। এই ৪ মাসে এই সাইটে ন্যূনতম ক্লিক ভ্যালু দেখেছি 0.45 আর আজকে দেখলাম সর্বোচ্চ ক্লিক ভ্যালু 3.75। যেহেতু এই সাইটের জন্য সব বিজ্ঞাপনের কোড আমার নয়, এবং যেগুলো আমার বিজ্ঞাপন সেইগুলিও আমি কোড সেট করে দিইনি, তাই বলতে পারছিনা কোন বিজ্ঞাপনের ব্লকে ক্লিক পড়ছে।

এই সাইটের জন্য কেবল hubpages.com নামেই চ্যানেল দেওয়া যায় আমাদের এডসেন্স একাউন্টে। শুধু এই একটা জিনিস থেকেই দেখা যায় এই সাইট থেকে আয় কতোখানি।

যারা লিখতে পারেন অথচ আয় কম হচ্ছে, দেরী করবেন না, এই সাইটে একাউন্ট খুলে লেখা শুরু করে দিন। অসুবিধা নেই, যখন পারবেন তখন লিখবেন। বিভিন্ন বিষয়ে লেখা যাবে। একই niche নিয়ে লিখতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। আমার সর্বোচ্চ ক্লিক ভ্যালু দেখছেন তো? এর অর্থ একটাই, ভালো লেখা হলে আর ভালো বিষয় হলে কিন্তু ক্লিক ভ্যালু পাবেন সেইরকম।

কেন? কারন এই সাইটে স্মার্ট প্রাইসিং খুব কড়াভাবে প্রযোজ্য হচ্ছেনা। পেজ র‌্যাঙ্ক ভালো এই সাইটের। প্রতিদিনের ভিজিটার অনেক বেশি। এইসব সুবিধা আছে। আমি আগেই বলেছি, শুধু লিখলে হবেনা, কিছু ব্যাক লিঙ্কের চেষ্টা করবেন। তাতে ভিজিটার বেশি পাবেন। এই বিষয়ে আমার আগের লেখাটি পড়ে নিতে পারেন।

এ্যাডসেন্স একাউন্ট যোগ করার পর যে কোন লেখার সাথে ওরা অটোমেটিক এ্যাডসেন্সের কোড জুরে দেয়। এর পর রেভেনিয় শেয়ার হয় এই পদ্ধতিতে যে প্রতি ১০০ বারের মধ্যে ৬০ বার আমার এ্যাডসেন্সের এ্যাড দেখাবে আর বাকি ৪০ বার ওদেরটা। এই ৬০ বার আর ৪০ বার রেন্ডমলি দেখানোর সময় যে পক্ষের ভাগ্য গাল হবে অর্থাত যার সময় ক্লিক পড়বে সেই সেই ক্লিকের মূল্য পাবে।সবচেয়ে আক্ররষনীয় বিষয় হোল এই সাইট এর PR 6 যার ফলে অনেক সহজেই ভাল ভিজিটর পাওয়া যায় সেই সাথে লেখার বিষয়ের সাথে মেলে এমন নিজের কোণ ব্লগ/সাইট থাকলে লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক ভাবে সেই লিঙ্ক জুড়ে দিয়ে অনেক অনেক ভিজিটর আনা সম্ভব। ল ভিজিটর পাওয়া যায় সেই সাথে লেখার বিষয়ের সাথে মেলে এমন নিজের কোণ ব্লগ/সাইট থাকলে লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক ভাবে সেই লিঙ্ক জুড়ে দিয়ে অনেক অনেক ভিজিটর আনা সম্ভব। আমার কাছে অসাধারন একটা ব্যবস্থা মনে হয়েছে।।

Read more

 
Design by ThemeShift | Bloggerized by Lasantha - Free Blogger Templates | Best Web Hosting